শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলের সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে কলেজ প্রশাসনের নির্ধারিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ও শিক্ষার্থীর পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনার কথা থাকলেও বাস্তবে এসব মানদণ্ড উপেক্ষা করে রাজনৈতিক সুপারিশে অনেককে সিট দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।
জানা গেছে, সোমবার রাতে কলেজের বিভিন্ন ছাত্রাবাসে নতুন করে ১১০ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপরই সিটবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের দাবি, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী সিট পাননি। অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিচয় বা সুপারিশের ভিত্তিতে কয়েকজন সিট পেয়েছেন।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা শুরু করেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা এক ফেসবুক পোস্টে সিট বরাদ্দের নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তার দাবি, কলেজ প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল এবং পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সিট বরাদ্দের কথা বলা হলেও বিভাগ থেকে ভাইভার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম পরবর্তী সময়ে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কর্মসূচির ঘোষণাকারী শিক্ষার্থী শাহিন আলম বলেন, হলের সিট বরাদ্দে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ফলাফল, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি ও আর্থিক অবস্থা যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। রাজনৈতিক দলের সুপারিশে নীতিমালা না মেনে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শিক্ষার্থীরা সিট বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, অভিযোগ তদন্ত এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সিট পুনর্বণ্টনের দাবি জানিয়েছেন।
তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা কলেজ প্রশাসনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।