এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই ছাপানো হবে। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য মোট প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানো হবে। এর মধ্যে নবম শ্রেণির জন্য সবচেয়ে বেশি ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই রয়েছে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বই।
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ বিষয়ের বই ছাপা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার বই ছাপাতে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা। জুন থেকে পর্যায়ক্রমে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বইয়ের বেশির ভাগ প্রক্রিয়া শেষ হলেও অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
এ ছাড়া প্রায় ৫০টি লটে এক কোটির বেশি বইয়ের পুনঃদরপত্র আহ্বান করতে হচ্ছে। বিশেষ করে নবম শ্রেণির ১৮ থেকে ২০টি লটে প্রায় ৬০ লাখ বই রয়েছে।
তবে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, নভেম্বরের মধ্যেই ছাপার কাজ শেষ করে ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে।