ডিভিএসএ জানিয়েছে, বাতিল হওয়া বুকিংগুলোর বিপরীতে জমা দেওয়া অর্থ সংশ্লিষ্টদের ফেরত দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও বুকিংয়ের কালোবাজারি ঠেকাতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে যেকোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে ইচ্ছামতো ড্রাইভিং টেস্ট স্থানান্তর করা যাবে না। মূল বুকিংকৃত কেন্দ্রের নিকটবর্তী সর্বোচ্চ তিনটি অনুমোদিত কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার তারিখ বা স্থান পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না।
ডিভিএসএ বলছে, কিছু ব্যক্তি ও চক্র বিপুলসংখ্যক টেস্ট স্লট আগাম বুক করে পরে সেগুলো বাড়তি দামে বিক্রি করছিল। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১২ মে থেকে কার্যকর হওয়া এক নিয়মে ড্রাইভিং প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাপক হারে টেস্ট বুক করার সুযোগও সীমিত করা হয়। অনলাইন বুকিং ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতে এ পর্যন্ত চার হাজারের বেশি ব্যবহারকারীকে আজীবনের জন্য সিস্টেম ব্যবহার থেকে নিষিদ্ধ করেছে সংস্থাটি।
ডিভিএসএ জানিয়েছে, একই পেমেন্ট কার্ড ব্যবহার করে বারবার বুকিং দেওয়া, কিংবা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা ‘বট’ ব্যবহার করে খালি স্লট দখল করার মতো অপব্যবহারের ধরন শনাক্ত করেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটির মতে, এ ধরনের জালিয়াতির কারণে প্রকৃত শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ড্রাইভিং টেস্টের জন্য গড়ে প্রায় ২২ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অথচ করোনা মহামারির আগে ২০২০ সালে এই অপেক্ষার সময় ছিল মাত্র পাঁচ সপ্তাহ।
ব্যাকলগ কমাতে গত এক বছরে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার অতিরিক্ত ড্রাইভিং টেস্ট নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিভিএসএ।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী বেভারলি ওয়ার্মিংটন বলেন, ড্রাইভিং টেস্ট বুকিং ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, সহজলভ্য ও ন্যায্য করতে অভিযান এবং আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।