এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনারও সৃষ্টি হয়েছে।
জরিমানার মুখে পড়া শিক্ষিকার নাম হোলি পাইপার। অভিযোগ অনুযায়ী, দুপুরের বিরতির সময় একটি পার্কে পিকনিক করার সময় তিনি স্যান্ডউইচের কিছু অংশ কবুতরের দিকে ছুঁড়ে দেন। পরে বিষয়টি নজরে এলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুই কর্মকর্তা তাকে ময়লা-আবর্জনা ছড়ানোর অভিযোগে জরিমানার নোটিশ প্রদান করেন।
হোলি পাইপার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। তার দাবি, পাখিদের খাবার দেওয়াকে যে আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না।
এ বিষয়ে ইলিং কাউন্সিল জানিয়েছে, জনপরিসরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে তারা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। কাউন্সিলের ভাষ্য, উন্মুক্ত স্থানে পাখিদের খাবার দিলে ইঁদুরসহ বিভিন্ন ধরনের কীটপতঙ্গ আকৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ কারণেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ময়লা-আবর্জনা ছড়ানোর আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই জরিমানাকে কঠোর বলে মন্তব্য করলেও কাউন্সিল পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় তাদের অবস্থানকে যৌক্তিক বলে দাবি করেছে।