ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিল। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখলেও প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের যোগ করা সময় পর্যন্ত। ওই সময় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দারুণ কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পেয়ে দানিলো সান্তোস গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সেলেসাওরা।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে কিছুটা ভারসাম্য ফিরে আসে। পাল্টা আক্রমণে ক্রোয়েশিয়াও সুযোগ তৈরি করতে থাকে। শেষ দিকে ৮৪ মিনিটে লোভরো মাজের গোল করে সমতায় ফেরান দলকে, ফলে ম্যাচে উত্তেজনা তৈরি হয়।
তবে সমতা বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি ব্রাজিল। এর ঠিক পরেই পেনাল্টি পায় তারা, যা থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন বদলি খেলোয়াড় ইগর থিয়াগো। এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আরেকটি আক্রমণ থেকে ব্যবধান বাড়ায় ব্রাজিল। ইগর থিয়াগোর পাস থেকে বল পেয়ে এনড্রিক দারুণ এক মুভ তৈরি করেন এবং আর্সেনাল ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে দিয়ে গোল করান।
এই জয়ে বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। আগামী ১১ মে ফিফার কাছে ৫৫ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড জমা দেবে ব্রাজিল। এরপর ৩১ মে মারাকানায় পানামার বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচ খেলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দেবে দলটি। ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান।