প্রায়ই এমনটা হলে শুধু ব্যস্ত সময়সূচি কিংবা ঘুমের ঘাটতিকেই দায়ী করা যাবে না। খাদ্যাভ্যাস, হজম ও শরীরের পুষ্টি গ্রহণের বিষয়টিও এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
খাবার খেলেই শরীর সঙ্গে সঙ্গে তার সব পুষ্টি ব্যবহার করতে পারে না। হজমের মাধ্যমে খাবার ভেঙে প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষিত হওয়ার পরই শরীর তা শক্তি হিসেবে কাজে লাগায়। তাই হজম ও খাদ্যাভ্যাসে সমস্যা থাকলে ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
বিকেলের এই অবসাদ কাটাতে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
খেজুর ও ঘি
খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক শর্করা, আর ঘিতে রয়েছে চর্বি। পরিমিত পরিমাণে এ দুটির সমন্বয় খাবারের শক্তি গ্রহণে সহায়ক হতে পারে। তবে ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।
জাফরান দুধ
জাফরান দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়তে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দুধের সঙ্গে অল্প পরিমাণ জাফরান নেওয়া যেতে পারে। তবে এটিকে ক্লান্তি দূর করার নিশ্চিত চিকিৎসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এড়িয়ে চলুন ভারী রাতের খাবার
ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার খেলে হজমে অস্বস্তি হতে পারে এবং ঘুমের মানও খারাপ হতে পারে। তাই ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমও সারাদিন সতেজ থাকতে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে প্রতিদিন নিয়মিত ও অস্বাভাবিক মাত্রায় ক্লান্তি অনুভূত হলে শুধু খাবার পরিবর্তন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির পেছনে বিভিন্ন শারীরিক কারণও থাকতে পারে।