নিহত আরিফুল ইসলাম নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘরিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া পুলিশ লাইন্সের বেতার শাখায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেতার শাখার দোতলার একটি কক্ষে সহকর্মীদের সঙ্গে থাকতেন আরিফুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকেও তাকে কক্ষে দেখা যায়। পরে শুক্রবার সকালে তাকে না পেয়ে সহকর্মীরা ধারণা করেন, তিনি নিচতলায় দায়িত্ব পালন করছেন।
কিন্তু সকাল গড়িয়ে বেলা ১০টার পরও তার খোঁজ না মেলায় পাশের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান সহকর্মীরা। সন্দেহ হলে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ সুপার জানান, নিহতের স্ত্রী ও সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এখন পর্যন্ত কোনো পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঋণসংক্রান্ত মানসিক চাপ থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন।
তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।