প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশটির প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে তরুণদের একটি বড় অংশই এখন সন্দিহান। অনেক তরুণ কলেজ শিক্ষাকে বর্তমান সময়ের সাথে 'অনুপযোগী' বা 'সেকেলে' বলে মনে করছেন। প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির পেছনে সময় নষ্ট না করে তারা এখন বাস্তবমুখী কাজের অভিজ্ঞতা বা 'অ্যাপ্রেন্টিসশিপ' (শিক্ষানবিশি)-এর দিকে ঝুঁকছেন। তবে চাহিদার তুলনায় এই ধরনের কারিগরি ও ব্যবহারিক কাজের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় সেখানেও তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, যারা পড়াশোনা শেষ করে চাকুরির বাজারে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন, তাদের প্রতিনিয়ত কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। নতুন গ্র্যাজুয়েটদের অভিযোগ, চাকুরির বাজারে 'ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট'দের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো বাস্তবসম্মত বিবেচনা করছে না। ফলে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট এবং কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত স্বল্প বেতনের পার্ট-টাইম কাজ করছেন। তরুণদের মতে, সরকারের কর নীতি, অর্থনৈতিক মন্দা এবং দূরদর্শিতার অভাবই যুবসমাজকে এই চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।