এদিকে এবার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল দুটি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান বোর্ড সচিব। ফল প্রকাশের পর ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস। বিদ্যালয়গুলোতে চলছে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময়। কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মুখে ফুটে উঠেছে হাসি; সাফল্যের আনন্দে মুখর হয়ে উঠেছে শিক্ষাঙ্গন।
জেলা প্রতিনিধি,যশোর
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী। ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা গেছে উচ্ছ্বাস ও আনন্দ। যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবছর ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮৮ হাজার ৯৭ জন। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩৪ হাজার ১৭ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ৮৩৪ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৯ হাজার ২৪৬ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া ১১ হাজার ৪৭৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ছেলে ৪ হাজার ৮০৯ ও মেয়ে ৫ হাজার ৩২৭ জন; মানবিক বিভাগে ছেলে ১৭৯ ও মেয়ে ৭৯২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছেলে ১৩৯ ও মেয়ে ২৩২ জন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে। গত বছর যশোর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৫ হাজার ৪১০ জন। যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আব্দুল মতিন বলেন, শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের যথার্থ মূল্যায়ন হয়েছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বোর্ড বেরিয়ে এসেছে। ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার কারণে পাসের হার কিছুটা কমলেও ফলাফল সন্তোষজনক।
এদিকে এবার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল দুটি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান বোর্ড সচিব। ফল প্রকাশের পর ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস। বিদ্যালয়গুলোতে চলছে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময়। কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মুখে ফুটে উঠেছে হাসি; সাফল্যের আনন্দে মুখর হয়ে উঠেছে শিক্ষাঙ্গন।