রজত শর্মার অনুষ্ঠান ‘আপ কি আদালত’-এ উপস্থিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন যশ।
সিনেমাটির ‘তাবাহি’ গান প্রকাশের পর যশ ও কিয়ারা আদভানির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। সেই প্রসঙ্গেই নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।
যশ বলেন, এসব দৃশ্য শুধুমাত্র বিতর্ক তৈরির জন্য করা হয়নি। গল্পের প্রয়োজনেই এমন দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তার জন্যও বিষয়টি সহজ ছিল না।
অভিনেতার ভাষায়, ‘আমিও আমার স্বাচ্ছন্দ্যের সীমা পেরিয়েছি। এসব করা আমার জন্য সহজ নয়। কিন্তু গল্পে এর প্রয়োজন ছিল এবং এটি গল্পের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। অবশ্যই রাধিকা এতে খুশি হবে না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সে আমার ওপর বিরক্ত বা অসন্তুষ্ট। কারণ সে আমাকে বিশ্বাস করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সেও একজন অভিনেতা। সে বোঝে এটি একটি কাজ। আমি যখন অভিনয় করি, তখন আমি একজন অভিনেতার ভূমিকায় থাকি, তার স্বামী হিসেবে নয়।’
এ ধরনের দৃশ্য দেখে কোনো সঙ্গীর অস্বস্তি হওয়া স্বাভাবিক বলেও স্বীকার করেন যশ। তবে রাধিকা নিজেও অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় চলচ্চিত্রের কাজের ধরনটি তিনি অন্যদের তুলনায় ভালোভাবে বোঝেন বলে মনে করেন তিনি।
যশ বলেন, ‘আমি মিথ্যা বলতে চাই না। প্রত্যেক সঙ্গীই এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তি বোধ করবেন। কিন্তু দিনের শেষে আমাদের বুঝতে হবে, এটি একটি শিল্প। আমরা যে কাজটি করার চেষ্টা করছি, সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু অর্জনের জন্য। কিছু মানুষ বিশ্বাস থেকে কিছু করেন, কেউ অভিজ্ঞতা থেকে করেন। আবার কিছু কাজ করা হয়, কারণ পরবর্তী প্রজন্মও সেখান থেকে কিছু শেখে। কিছু বিষয় তাই সংরক্ষণ করে রাখা প্রয়োজন। আর আমি মনে করি, এই গল্পটি গুরুত্বপূর্ণ।’
যশের দাবি, ‘টক্সিক’ মূলত জেন-জি প্রজন্মকে সামনে রেখে নির্মিত। সিনেমাটিতে তরুণ প্রজন্ম ও বয়স্ক প্রজন্মের মধ্যে পার্থক্য এবং তাদের সম্পর্কের নানা জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে।
গীতু মোহানদাস পরিচালিত সিনেমাটিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন যশ। এতে আরও অভিনয় করেছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নথারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্ত।