বুধবার (১ জুলাই) বিকেল তিনটায় সিলেটের একটি বাস কাউন্টার থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে পুলিশ। তারা সিলেটের গোয়াইনঘাট যাওয়ার জন্য সেখানে অপেক্ষা করছিল বলে জানা গেছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশ নিখোঁজ ছাত্রীদের সন্ধানে দিন-রাত এক করে কাজ করেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার পর তারা প্রথমে ঢাকায় গিয়েছিল। এরপরে সেখান থেকে সিলেটে গিয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেল তিনটায় সিলেটের একটি বাস কাউন্টার থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে পুলিশ। তারা সিলেটের গোয়াইনঘাট যাওয়ার জন্য সেখানে অপেক্ষা করছিল বলে জানা গেছে।
তিনি জানান, গত মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশ নিখোঁজ ছাত্রীদের সন্ধানে দিন-রাত এক করে কাজ করেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার পর তারা প্রথমে ঢাকায় গিয়েছিল। এরপরে সেখান থেকে সিলেটে গিয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ছাত্রীরা একটি বড় পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়েছিল। চক্রটি তাদেরকে প্রলোভন দেখিয়ে সিলেটের সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাঠানোর চেষ্টা করছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
উদ্ধার হওয়া ছাত্রীরা হলো—উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি (১৭), একই গ্রামের বাংঠু দেবনাথের মেয়ে মলিকা (১৭), রমেশ চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (১৬) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজতি রানী দেবনাথ (১৪)। এদের মধ্যে খুশি, মলিকা ও ঋতু সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণি এবং সুজতি একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
গত মঙ্গলবার সকালে তারা একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে স্কুলছাত্রীর পরিবার।
ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস বলেন, স্কুলছাত্রীদের সিলেট থেকে ঠাকুরগাঁও নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে