তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এখন জনগণের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে যে, শেখ হাসিনা নিজেই গুমের নির্দেশ দিতেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে নিয়ে তাদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন শেখ হাসিনা। তাদের আশ্বস্ত করতেন, স্বজনদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। অথচ তিনি নিজেই জানতেন, গুম হওয়া ব্যক্তিরা কোথায় আছেন।
মেজর হাফিজ উদ্দিন বলেন, এসব আচরণ ও অভিনয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন। জনগণ তখন বিষয়টি বুঝতে পারেনি। এখন সবকিছু তাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, একজন ব্যারিস্টারকে আট বছর হাতকড়া পরিয়ে ‘আয়নাঘরে’ বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তার সঙ্গে অত্যন্ত নির্মম ও জঘন্য আচরণ করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, দলটির নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তার পালানোর পর দেশের বিচারপতি ও বায়তুল মোকাররম মসজিদের ইমামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অনেকেই দেশ ছেড়েছেন। গত ১৭ বছরে যারা বিভিন্ন পদে ছিলেন, তাদের অনেকেই পালিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাজিনুর ইসলাম কবির হাওলাদারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।