শুক্রবার (১৯ জুন) ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের পাশে অবৈধ দোকানপাট স্থাপন, রাস্তা দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা এবং যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এছাড়া অনেক চালক গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, সিটবেল্ট পরিধান করেন না। পথচারীরাও রাস্তা পারাপারের সময় অসচেতন থাকেন। এসব কারণে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, অদক্ষ ও অনভিজ্ঞ চালকদের কারণেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। তাই সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি চালক, যাত্রী ও পথচারী সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।
অনুষ্ঠান শেষে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৪টি পরিবারের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা এবং আহত ১৬টি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১ থেকে ৩ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার এস.এম. হুমায়ুন কবীর। এসময় জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবীবা মীরাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহ লেডিস ক্লাব মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারগুলোর মধ্যে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।