বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোডের বাটা সিগন্যাল ও সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কামরাঙ্গীরচরে এই পৃথক দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে মৃত রনি তালুকদারের সহকর্মী মো. রাজু জানান, তারা বাটা সিগন্যালে রাখী সু স্টোর নামে একটি জুতার দোকানে কাজ করেন। দোকানের উপরে একটি আমগাছ রয়েছে। বিকেলে আম পাড়তে সেই গাছে উঠে রনি। এসময় পাশের বিদ্যুতের তারের সাথে সংস্পর্শে বিদ্যুতায়িত হন রনি। মুমূর্ষু অবস্থায় গাছেই আটকে থাকে। তখন সঙ্গে সঙ্গে তাকে গাছ থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে চিকিৎসক পরিক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চান্দুপুর বাধপাড়া গ্রামে। বর্তমানে কামরাঙ্গীরচর কুড়ারঘাট এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন রনি।
এদিকে, মৃত সুমন তালুকদারের সহকর্মী মো. আলআমিন জানান, তারা এ্যাপেল নেটওয়ার্ক নামে একটি কোম্পানীতে কাজ করেন। সন্ধ্যার দিকে কামরাঙ্গীরচর কুড়ারঘাট ১ নম্বর গলির সাততলা বাসার ছাদে ওয়াইফাই লাইনের কাজ করছিলের। সুমন ছাদে তার টানানোর সময় বাইরের বিদ্যুতের তারের সাথে লেগে বিদ্যুতায়িত হন। দ্রুত তাকে ছাদ থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন।
মৃত সুমনের ভাই শাহাদত হোসেন জানান, তাদের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার মধ্য চরনোয়াবাদ গ্রামে। তার বাবার নাম সাহাবুদ্দিন তালুকদার। বর্তমানে হাজারীবাগ বিজিবি ১ নম্বর গেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ দুটি মর্গে রাখা হয়েছে।