শনিবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাঙ্গেরীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পিটার ম্যাজিয়ার বলেন, আসুন, আমরা শাসন পরিবর্তনের প্রবেশদ্বার দিয়ে নতুন যুগে পা রাখি।
নির্বাচনে ম্যাজিয়ারের দল টিসজা পার্টি হাঙ্গেরির ১৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪১টিতে জয়লাভ করে এক বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। তবে ক্ষমতা গ্রহণের শুরুতেই ম্যাজিয়ারকে বেশ কিছু কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে: ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বুদাপেস্টের সম্পর্কের উন্নয়ন, দেশটির ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিতে গতি ফেরানো, বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা করা (যা গত এপ্রিলের মধ্যেই পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় তিন-চতুর্থাংশে পৌঁছে গেছে)।
হাঙ্গেরির পার্লামেন্ট ভবনে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এক বিশেষ মুহূর্ত। ভিক্টর অরবানের আমলে পার্লামেন্ট কক্ষ থেকে সরিয়ে ফেলা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পতাকা ১২ বছর পর পুনরায় সেখানে প্রদর্শন করা হয়। নবনিযুক্ত সংসদ স্পিকার অ্যাগনেস ফর্স্টহফার দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম সিদ্ধান্ত হিসেবে পতাকাটি পুনঃস্থাপনের নির্দেশ দেন। এই পদক্ষেপকে তিনি ‘ইউরোপের পথে ফিরে আসার প্রথম প্রতীকী পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
নতুন প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো, যাতে বর্তমানে স্থগিত থাকা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ছাড় করা যায়। অরবানের আমলে মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং আইনের শাসনের অবনতির উদ্বেগে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রেখেছিল ইইউ। ম্যাজিয়ার প্রশাসন এখন সেই আইনি ও কূটনৈতিক বাধাগুলো দূর করে দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে আগ্রহী।