এ সময় সরাসরি গুলি ছোড়ে আফগান বাহিনী। স্থানীয়রা জানিয়েছেন গতকাল শুক্রবার এ সংঘর্ষের উৎপত্তি হয়। তখন গুলিতে এক যুবক প্রাণ হারান। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হন।
যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় আজ শনিবারও (৯ মে) সেখানে বিক্ষোভ করেন গ্রামবাসী। এতে আব্দুল রহিম নামে আরেকজন নিহত হন।
এর প্রতিবাদ জানাতে বাদাখশান-তাখার মহাসড়কে আব্দুল রহিমের মরদেহ রেখে সড়ক অবরোধ করেন তারা। তবে কিছুক্ষণ পর রাস্তাটি আবার তারা ছেড়ে দেন।
বাদাখশানের তালেবান পুলিশ কমান্ড দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তারা দাবি করেছে, মাদক কারবারীদের উস্কানির কারণে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মাদকবিরোধী ইউনিট সেখানে থাকা পপি উপড়ে ফেলতে যায়। এ সময় কিছু চাষী ও স্থানীয় গ্রামবাসী এতে বাধা দিতে আসেন। আর এতেই সংঘর্ষ বেধে যায়।
পরে স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তি ও ধর্মীয় নেতাদের উদ্যোগে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
গ্রামবাসী অভিযোগ করেছেন, পপি ধ্বংসের অজুহাতে তালেবান সেনারা তাদের অত্যাচার করছিল।
২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পরই দেশটিতে পপি চাষ নিষিদ্ধ করে তালেবান। এই পপি থেকে হেরুইন উৎপাদন হয়।
এরআগে মার্কিনিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অর্থের জন্য তালেবান নিজেরাই পপি চাষ করত।