নিষেধাজ্ঞার তালিকায় চীন ও হংকংভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানায়, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানকে শাহেদ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাঁচামাল ও যথাযথ প্রযুক্তি সংগ্রহে সহায়তা করেছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানায়, ইরানের সামরিক শিল্পখাতের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকবে, যাতে দেশটি আবারও অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা 'শক্তিশালী' করতে না পারে। এছাড়া অবৈধ ইরানি বাণিজ্যে জড়িত বিদেশি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে, ইরানের সঙ্গে লেনদেনে জড়িত বিদেশি ব্যাংক ও চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলোর ওপরও নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়।
এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রেট এরিকসনের মতে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি মোকাবিলাই এই নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য। বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের বড় একটি অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে। সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ওই নৌ-পথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়েছে।