গতকাল শনিবার (২৩ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ। এর আগে গত বুধবার ওই ভবনের নিচে তাদের দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ওই ভবনের স্টাফরা জানিয়েছেন, ৩৫ বছর বয়সী ওই মা আল-নাদহা এলাকার উঁচু ভবন থেকে নিজের সন্তানকে ফেলে দেন। এরপর তিনি নিজে লাফ দেন।
ভবনটির প্রথম ছয় তলায় গাড়ি পার্কিং ও ব্যয়ামাগার রয়েছে। এরপর থেকে শুরু হয়েছে আবাসিক অংশ। ওই আবাসিকের ১৫তম তলার বারান্দা থেকে এ ঘটনা ঘটান ওই মা।
৩২ তলা ভবনটির এক নিরাপত্তারক্ষী জানান তারা বিকট শব্দ শুনতে পান। এরপর দৌড়ে বাইরে গিয়ে এক নারী ও শিশুর দেহ দেখতে পান। শিশুটির মরদেহ পড়ে ছিল সড়কে। অপরদিকে মায়ের মরদেহটি ছিল ফুটপাথে।
তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সকাল ১০টা ৫০ পর্যন্ত পুরো ভবনটি অবরুদ্ধ করে রাখে।
এদিকে এ ঘটনা ঘটার একদিন আগে ওই নারী ও তার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। এ সময় পুলিশকেও ডাকা হয়। তার স্বামী নিরাপত্তারক্ষীকের কাছে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী মানসিক সমস্যায় ভুগছে।
তার স্বামী দুবাইয়ে চাকরি করেন। মর্মান্তিক এ ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিজেদের জিম্মায় নিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: গালফ নিউজ