বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় পটুয়াখালী সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে ফিতা কেটে এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। উদ্বোধন শেষে মেলা চত্বরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. মোঃ জাহিদুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া, পৌর প্রশাসক (উপ-সচিব) জুয়েল রানা, পটুয়াখালী উপকূলীয় বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নূরুন্নাহার।
এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা মাকসুদ আহমেদ বায়জিদ পান্না, জেলা জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসার মুহা: মুজিবুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম আরিফ সহ স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেসব গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগালেই হবে না, প্রতিটি গাছকে বড় করে তোলার দায়িত্বও সবাইকে নিতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করা সম্ভব।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং নার্সারি মালিক ও দর্শনার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এবারের মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমাহার ঘটেছে যা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা