গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা এলজিইডি নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণমান, দীর্ঘমেয়াদী টেকসই ও স্থায়িত্ব নিয়ে অভিযোগের আঙ্গুল এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দিকে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালের দিকে সরেজমিনে ঘুরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর মাওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়কে দেখা যায় এমন চিত্র।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার(জিওবি) ও সৌদি ফান্ড ফরডেভেলপমেন্টের(ওফিড)
অর্থয়ানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্ত (এলজিইডি) সর্ববৃহৎ মাওলানা ভাসানী সেতু নির্মাণের দায়িত্ব পায়। যার নির্মাণ ব্যয়-বরাদ্দ ধরা হয় ৯২৫ কোটি টাকা । সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪৯০ লিটার, প্রস্থ ৯ দশমিক ৬ লিটার।
গাইবান্ধার সর্ববৃহৎ এই সেতুর সংযোগ সড়ক ধ্বসে যাওয়ার জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমলাতান্ত্রিক মনোভাব, গাফিলতি ও উদাসীনতার পাশাপাশি নির্মাণমানসহ দায়িত্বে অবহেলার বিষয় নিয়ে অভিযোগের আঙ্গুল এখন এলজিইডির দিকে।
এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ হোসেন, আব্দুস সামাদ মিয়া জানায়,দেশের কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এ সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজে। অথচ মাত্র তিন দিনের বৃষ্টির পানিতে সংযোগ সড়ক ধ্বসে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিইডি"র সহযোগিতায় নিম্নমানের কাজ করেছেন বলে তাদের দাবি।
সর্ববৃহৎ মাওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়ক বৃষ্টির পানিতে গর্তের সৃষ্টি ও ধ্বসে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্ধেগ প্রকাশ করে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম সংযোগ সড়কের ধ্বসে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ গর্তগুলো অবিলম্বে স্থায়ীভাবে মেরামতের দাবি জানিয়েছেন ।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিপা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার এটিএম মাজেদ আজাদ বলেন, ধ্বসে যাওয়া অংশে মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। এটি স্থায়ী সমাধান নয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের দুই পাশে পানি নামার ড্রেন স্থাপন না করা পর্যন্ত এ সমস্যা থেকেই যাবে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী জানায়, বিষয়টি দেখেছি, টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে স্থায়ীভাবে মেরামতের কাজ শুরু করা হবে ।