বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ হিসেবে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানিয়েছেন, বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই কেন্দ্রটিতে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলমের দাবি, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলেও কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি। ফলে পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তারা মোমবাতি জ্বালাতে বাধ্য হন।
তবে এই ঘটনায় কেন্দ্র সচিবের প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ। তিনি জানান, কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়টি কেন্দ্র সচিব তাকে আগেভাগে অবহিত করেননি। যথাসময়ে তথ্য না জানানোকে কেন্দ্র সচিবের ভুল হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। বিদ্যুৎ বিভাগের যান্ত্রিক গোলযোগ আর স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়হীনতার এই ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি প্রথম পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার দিন এমন সংকট শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপের মুখে ফেলেছে।