র্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত হারিচ আহম্মদ ওরফে মজিবুর (৬৫)-এর সাথে অভিযুক্তদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৯ জুলাই সকাল সোয়া ১০টার দিকে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠি ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বৌলতলী মৌজায় ভিকটিমের ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে জোরপূর্বক ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু করে।
ভিকটিম মজিবর জমিতে চাষ করতে নিষেধ করতে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারাত্মক জখম করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুলাই রাত দুইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে মহিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) ছায়া তদন্ত শুরু করে। আসামিরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
প্রথমে শুক্রবার (২৪ জুলাই) র্যাব-১১ (সদর কোম্পানি, নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্প)-এর সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন জুলকুড়ি উত্তরপাড়া এলাকা থেকে মোঃ সালেককে গ্রেফতার করা হয়। পরেরদিন শনিবার (২৫ জুলাই) র্যাব-১ (সিপিসি-৩, পূর্বাচল ক্যাম্প)-এর সহায়তায় ঢাকার গুলশান থানাধীন আজাদ মসজিদ এলাকা থেকে মোঃ ছারোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মোঃ কামরুজ্জামান জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোঃ সালেককে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এবং মোঃ ছারোয়ারকে ডিএমপির গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।