রোনালদো ও মদ্রিচ শুরুর একাদশে থেকেই ইতিহাস গড়েন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ বা তার বেশি বয়সী দুই আউটফিল্ড খেলোয়াড় একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামলেন। দুই খেলোয়াড়ের কেউ সেভাবে চমক দেখাতে পারেননি। ৫৩তম মিনিটে এক গোল খাওয়ার পর মনে হচ্ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের যাত্রা হয়তো এখানেই শেষ হতে চলেছে। কিন্তু নিজেদের ওপর বিশ্বাস হারায়নি তারা। অবশেষে ৬৮তম মিনিটে একটি পেনাল্টি আদায় করে নেয় দলটি। তারপর গোল করে রোনালদো ম্যাচে সমতা ফেরান।
তারপর ইনজুরি টাইমেও স্কোর ছিল একই। খেলাটি অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৯৪তম মিনিটে রামোসের দুর্দান্ত এক হেডার ম্যাচটিতে আবার নতুন উত্তেজনা আনে। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম এক নাটকীয় সমাপ্তির সম্ভাবনা জেগেছিল, ক্রোয়েশিয়া একেবারে শেষ মুহূর্তের শটে গোল করলে। কিন্তু ভাগ্য তাদের সহায় ছিল না। কারণ ভিএআর তাদের জন্য দুর্ভাগ্য বয়ে আনে। তাতে গোল বাতিল হওয়ায় ম্যাচ শেষ হয় নাটকীয়ভাবে।
ম্যাচ শেষ হতেই সৌজন্যতা বিনিময়ের সময় মদ্রিচকে জড়িয়ে ধরেন রোনালদো। তারপর মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন। শেষ করেন আবার দুজন দুজনকে আলিঙ্গন করেন। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থকে নিয়ে সিআরসেভেন বলেন, ‘আমি লুকার সাথে অনেক বছর খেলেছি। ও ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি, এখনও। আমি ওকে বহুবার এই কথা বলেছি। সবকিছুর জন্য তোমাকে অভিনন্দন। তোমার ক্যারিয়ারের আগামী বছরগুলোর জন্য আমার অনেক অনেক শুভকামনা রইল।’