যুক্তরাষ্ট্রের আটালান্টা স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় পায় ইংল্যান্ড। তবে এই জয় মোটেও সহজ ছিল না।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ব্রায়ান চিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে সেই লিড ধরে রাখে তারা। ইংল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ চালালেও কঙ্গোর রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি ছিলেন দুর্দান্ত।
৭৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ডকে উদ্ধার করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ৭৫তম মিনিটে সমতাসূচক গোল করার পর ৮৬তম মিনিটে আরও একটি গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে করা তার জোড়া গোলই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে পৌঁছে দেয় শেষ ষোলোয়।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড অধিনায়ক স্বীকার করেন, এবারের বিশ্বকাপে এটিই ছিল তাদের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি। কেইন বলেন, ‘পুরো সপ্তাহজুড়েই আমরা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলার বিষয়ে কথা বলেছি। আক্রমণাত্মক দিক থেকে বিচার করলে, সম্ভবত এটিই এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত আমাদের সেরা ম্যাচ। অবশ্যই এখনও কিছু জায়গায় উন্নতির সুযোগ রয়েছে। তবে নকআউট পর্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরের রাউন্ডে জায়গা করে নেওয়া।’