চসিক সূত্র জানায়, নগরের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ৩ লাখ ২৮৫ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ক্যাম্পেইন চলাকালে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, মেডিকেল অফিসার ইনচার্জ, জোনাল মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল অফিসার, চসিকের দাতব্য চিকিৎসালয় ও নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ, ইপিআই টেকনিশিয়ান এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী স্বাস্থ্য সহকারী, টিকাদানকর্মী, নার্স ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সামাজিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই সদর দপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ক্যাম্পেইনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের দিকনির্দেশনা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিনের তদারকিতে কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহজ হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ২১ মে থেকে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের পাশাপাশি হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদেরও টিকার আওতায় আনা হবে