স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানা নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে তিনি পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত নানা কারণে গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন বলে জানা যায়।
গ্রামে তিনি রিকশা মেরামতের কাজ করতেন। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চুরি, জুয়া ও মাদকাসক্তির অভিযোগ আছে। যদিও থানায় কোনো মামলা আছে কিনা তা জানেন না গ্রামবাসী।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, সোহেলের প্রথম সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। পরে পারিবারিক বিরোধের কারণে সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
তার ছোট বোন জলি বেগম স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় তিন বছর আগে তিনি পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যান। এরপর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ ছিল না। রামিসা হত্যার খবর তারা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন।
পরিবারের দাবি, গ্রাম ছাড়ার পর সোহেল ঢাকায় গিয়ে নতুন পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন এবং নিজের পরিচয় গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
এ বিষয়ে মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, থানার রেকর্ড অনুযায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোগ বা সালিশ হলেও তার কোনো সরকারি নথি নেই।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।
আইনগতভাবে মামলাটি এখন তদন্তাধীন। ফলে অভিযোগ ও স্থানীয় বর্ণনাকে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা না করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।