আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে আয়োজিত উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুরো বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশে কারো বাইপাস সার্জারি করতে গেলে লাখ লাখ টাকা দিতে হয়। প্রেস মেকার সহ ভাল্পের দামও আকুশচুম্বি। সেগুলোর জন্য একটি সামাজিক ব্যবস্থা থাকা দরকার। তাই দেশে সরকারী বা বেসরকারীভাবে একটি স্বাস্থ্য বীমা থাকা উচিৎ।
রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের উপর গুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে আমি ইংল্যান্ডে হার্টের সার্জারি শিখেয়েছি। দেশে প্রথমে দেশে এসে দেখলাম দরিদ্র মানুষ টাকার অভাবে হার্টের সার্জারির টাকা খরচ করতে পারেননা। এখন দেশে ৪০ হাজার মানুষের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়ে থাকে। সার্জনদের মদ্যে প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। তারপরও দেশে এ সেবা এখনও ব্যায়বহুল। দেশে যদি সঠিক উপায়ে পরিক্ষা করা যায় তাহলে প্রতি চারজনে একজন রোগীর উচ্চ রক্তচাপ চিহ্নিত হবে। মেয়েদের সে হার শতকরা ১৫ ভাগ। এটি একটি কমন কার্ডিও ভাসকুরার ডিজিজ। কিন্তু সবাইকে প্রতিরোধের উপায়গুলো মেনে চলতে হবে।
সভাপতিত্ব করেন ডাক্তার এ কে এম আবু সাঈদ,সিভিল সার্জন। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান, সমাপনী বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সাজ্জাদ হোসেন, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ডাঃ কাজল আলী, উচ্চ রক্তচাপ সম্বন্ধে আলোচনা করেন ডাঃ ইয়ানূর হোসেন, ডাঃ খাইরুজ্জামান পিনু।