কিভাবে এতটা ফিট থাকেন তিনি—এ নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন তার সাবেক ব্যক্তিগত শেফ জর্জিও বারোনে। তিনি জানান, রোনালদোর খাদ্যাভ্যাসে রয়েছে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, যার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো—দুধ সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া।
বারোনের মতে, রোনালদোর ডায়েট থেকে দুধ, চিনি এবং সফট ড্রিংকস পুরোপুরি নিষিদ্ধ। তিনি মনে করেন, দুধ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় নয়।
রোনালদোর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে প্রোটিনসমৃদ্ধ ও কম চর্বিযুক্ত খাবার। এর মধ্যে রয়েছে চিকেন, তাজা মাছ, সালাদ, কুইনোয়া এবং ফলমূল।
তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার গ্রিলড কড মাছ। দিনের শুরুতে তিনি খান অ্যাভোকাডো, ডিম এবং কফি—তবে কোনো চিনি ছাড়া।
সকালের নাশতায় অ্যাভোকাডো, ডিম ও ব্ল্যাক কফি থাকে, দুপুরে সাধারণত মাছ, চিকেন ও সবজি খান। কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা তিনি মূলত সবজি থেকেই পূরণ করেন। পাস্তা, রুটি ও ময়দাজাত খাবার তিনি এড়িয়ে চলেন। রাতের খাবারও থাকে খুব হালকা—মাছ বা মাংসের সঙ্গে সবজি।
বারোনে আরও জানান, রোনালদোর শরীরের ফ্যাটের পরিমাণ মাত্র প্রায় ৭ শতাংশ, যা একজন পেশাদার ফুটবলারের জন্যও অত্যন্ত কম।
সব মিলিয়ে কঠোর খাদ্যাভ্যাস, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন এবং নিয়মিত শারীরিক রুটিনই ৪১ বছর বয়সেও রোনালদোকে বিশ্বের সবচেয়ে ফিট ফুটবলারদের একজন হিসেবে ধরে রেখেছে।