বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দূতাবাস প্রাঙ্গণে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।পরে দূতাবাসের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, নির্যাতিত মা-বোন, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
আলোচনা পর্বে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং সম্ভ্রমহানি হওয়া মা-বোনদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের পর দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে, যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
রাষ্ট্রদূত ২৫ মার্চের গণহত্যাকে জাতিকে নেতৃত্বশূন্য ও মেধাশূন্য করার সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার কথা তুলে ধরে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রবাসীসহ সব নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অবদানের কথাও তুলে ধরেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বছর সীমিত পরিসরে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়েছে বলে জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।