নবাব সিরাজউদ্দৌলার আমলে ‘ভাঁটির বাঘ’ নামে পরিচিত শমসের গাজীর স্মৃতিকে ঘিরে তার উত্তরসূরিরা প্রায় পাঁচ একর জায়গাজুড়ে এই রিসোর্ট গড়ে তোলেন। সোনাপুর এলাকায় অবস্থিত এই স্থাপনাটি থাইল্যান্ড ও জাপানের রেস্ট হাউজের আদলে নির্মিত।
রিসোর্টের ভেতর ও বাইরের স্থাপত্যে ব্যাপকভাবে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। রয়েছে বাঁশের তৈরি আসবাবপত্র ও বিভিন্ন শিল্পকর্ম। প্রবেশমুখেই নজর কাড়ে ‘ঐকতান’ নামের দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য। এছাড়া আঙিনাজুড়ে সুউচ্চ বাঁশের সারি এবং খাগড়াছড়ির পাহাড়ি ঘরের আদলে নির্মিত বাঁশের মাচাং ঘর দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।
রিসোর্টে রয়েছে রেস্টুরেন্ট, পাঠকক্ষ, অতিথিকক্ষ, টি কর্নার, লন, ফোয়ারা, লেক ও সুদৃশ্য সেতু। লেকে নৌকায় ঘোরার ব্যবস্থাও আছে। অগ্রিম বুকিংয়ের মাধ্যমে সভা-সেমিনার, বিয়ে, বনভোজন ও বারবিকিউ আয়োজনের সুবিধা রয়েছে।
নির্মাণশৈলীর ভিন্নতায় এই রিসোর্টে প্রায়ই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী ত্রিপুরা অঞ্চল থেকে আগত পাহাড়ি নৃত্যও বিনোদনের অন্যতম আকর্ষণ।
রিসোর্টে প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ২০ টাকা। সিঙ্গেল বেড রুমের ভাড়া ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং ডাবল বেড রুমের ভাড়া প্রায় ৭ হাজার টাকা। (ভাড়া পরিবর্তন হতে পারে, আগেই যোগাযোগ করা ভালো)।
যোগাযোগ: জগন্নাথ-সোনাপুর, শুভপুর, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে বারইয়ারহাট থেকে রামগড় সড়ক ধরে শুভপুর বাজার পেরিয়ে পূর্বদিকে প্রায় তিন কিলোমিটার গেলেই রিসোর্টে পৌঁছানো যায়। এছাড়া ফেনী শহর থেকেও ছাগলনাইয়া হয়ে স্থানীয় যানবাহনে যাওয়া সম্ভব।
রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ফেনী শহরে হোটেল বিলাস, হোটেল আল করিম, হোটেল গাজী ও হোটেল মিড নাইটসহ বিভিন্ন আবাসিক হোটেল রয়েছে।