ড. মুহিত শৈশব থেকেই শিক্ষা ও মানবসেবায় আগ্রহী ছিলেন। এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর যুক্তরাজ্য ও লন্ডনের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু চিকিৎসায় কাজ করেছেন। শিশু অন্ধত্ব প্রতিরোধে তার গবেষণা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং চাইল্ড সাইট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে হাজারো দরিদ্র মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা সম্ভব করেছেন।
রাজনীতিতে প্রবেশের পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ২০০৯ সালে সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনসভা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তাকে বিভিন্ন সময়ে মামলা ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে জয়ী হয়ে তিনি সংসদে প্রবেশ করেন। ২০২৬ সালে নতুন সরকারের গঠনের পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধির, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণের অঙ্গীকার করেন।
ড. এম এ মুহিতের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি—মানবকল্যাণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা। একজন চিকিৎসক থেকে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার জীবনপথ প্রমাণ করে, সংগ্রাম, দক্ষতা ও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার রাজনীতিতে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে সক্ষম।