বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এর মধ্যে ৮ জন মন্ত্রী ও ৩ জন প্রতিমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তাদের কাজের ভার লাঘব করতেই নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার এই পরিকল্পনা। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সংসদীয় গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী কাজের প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
মন্ত্রিসভায় নতুন করে কারা যুক্ত হতে পারেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে। সম্ভাব্য তালিকায় যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তারা হলেন সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, বি এম মোশাররফ হোসেন এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মাহিদুর রহমানের নামও আলোচনায় রয়েছে।
মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন একটি খুবই স্বাভাবিক বিষয়। তবে এটি কখন হবে বা কে আসবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ এখতিয়ার একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন উপযুক্ত মনে করবেন, তখনই কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন বা কারও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করতে পারেন।’
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত জানান, মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে অনেক কথা শোনা গেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তারা এখনো অবগত নন।
ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে, অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করলেও পরবর্তীতে তা ৬০ জনে উন্নীত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রেও একই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভার কলেবর ধাপে ধাপে বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।