স্থানীয়রা বলছেন, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তৃতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী তার দাদির জন্য ওষুধ আনতে ডাক্তার আত্তাবের দোকানে যায়| এসময় কেউ না থাকার সুযোগে ডাক্তার মেয়েটি ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে|
এ ঘটনা জানাজানির পর স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ জনতা তাকে আটকে রাখে| এসময় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়| সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৮টার সময় কালীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে| একই সাথে ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে|
এ ঘটনার পর ভিকটিম ও তার পরিবার বলছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে| মেয়েটি বাড়ি ফেরার পর তার আচরণ দেখে সন্দেহ হয়| পরে জিজ্ঞাসাবাদে ¯ি^কার করে| এছাড়া তার মা যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ দেখতে পান বলেও জানিয়েছেন|
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে| ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে|
কালীগঞ্জ উপজেরা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শিশুটিকেক ধর্ষণ করা হয়েছে| আরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলে যোগ করেন|