মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে—এটাই স্বাভাবিক। তবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিত্ব বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে।
সংগঠনটির অভিযোগ, জনস্বার্থে ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পরিবর্তে লুকোচুরি করা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খাতে পরিচালন ব্যয় কতটা বেড়েছে এবং কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে সেই ব্যয় সমন্বয় করা সম্ভব—এ বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও দাবি করেছে, বিগত সরকারের সময় থেকেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির একচেটিয়া সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংগঠনটি বলছে, দেশের বৃহত্তর অংশীজন যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিদের ভাড়া নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় কোনো মতামত নেওয়া হয় না। এর ফলে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না এবং যাত্রীরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
যাত্রী কল্যাণ সমিতি ভাড়া পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় যাত্রী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি এবং পরিচালন ব্যয় ও ভাড়া বৃদ্ধির যৌক্তিক হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।