মঙ্গলবার দুপুরে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ্, জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা। এছাড়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক ঝন্টুসহ ইউপি সদস্যগণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামুন হোসেন পেশায় ট্রাক চালক ছিলেন।গত দুই বছর ধরে সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। পরিবার ফেলে যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াতেন। নিজে নিজের সাথে কথা বলতেন। তবে কয়েকদিন ধরে তাকে এলাকায় দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার কারণে তিনিই নিজেই হয়তো গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, মরদেহ ঝুলে থাকার খবর পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। উদ্ধার শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।