তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর ও দামুড়হুদা এই দুটি সীমান্তবর্তী উপজেলা। এখান থেকে দিনে রাতে সীমান্তের ওপার থেকে এপারে মাদকদ্রব্য পাচার হচ্ছে। একই সাথে এখানে যেমন অনেক মাদক বিক্রেতা রয়েছে তেমনই মাদক সেবনকারী ও বাহক রয়েছে। মাদক বহনকারীর মধ্যে ৫ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির ছেলেরাও রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক ও অনার্স পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা এখন ব্যাপকভাবে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এটি আমাদের জন্য খুবই সতর্কতার একটি বিষয়। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে
জেলা প্রশাসক বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তি আপনাদের যতই কাছের লোক হোক তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। সন্তান গড়ে তোলার দায়িত্ব শুধু শিক্ষকের ওপর দিলেই হবে না। আপনার সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কাদের সাথে মিশছে, ঠিক মত স্কুলে যাচ্ছে কিনা, সন্ধ্যায় ঠিকমতো বাড়িতে এসে পড়তে বসছে কিনা-সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। অনেক যায়গায় মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে পিতা মাতা খুন ও নির্যাতনের খবর পাওয়া যায়। এসব থেকে বাঁচতে আপনাদের সন্তানদের দিকে নজর রাখুন। এখন শিক্ষার্থীদের গড়ে ওঠা ও বেড়ে ওঠার সময়।
তারা প্রতিদিন স্কুলে আসবে, পড়াশোনা করবে, বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মেতে উঠবে, টিফিন সময়ে অথবা বিকালে খেলার মাঠে খেলা ধুলা করবে এতে তাদের শারিরীক ও মানুসিক বিকাশ ঘটবে। জীবননগর একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রাফিকুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী, উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নওশাদ আলী, উথলী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউনুচ আলী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উথলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আকরাম হোসেন, উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, উথলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দীন জাহিদ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাজী রবিউল হোসেন, জীবননগর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সিঙ্গার অমিত খান, সাধারণ সম্পাদক রানা হোসেন, বিদ্যালয়ের সাবেক এডহক কমিটির সভাপতি মোশারেফ হোসেন, সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ।