গ্রেফতারকৃত চোরচক্রের সদস্যরা হলেন- মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার মৃত আনোয়ারের ছেলে আব্দুল মালেক ( ৪৫), চুয়াডাঙ্গার ফার্ম পাড়ার জাহিদ শেখের ছেলে শিপলু (২৮), বগুড়া জেলার কাহালু থানার কাশেম খাঁর ছেলে টুলু (৪৪), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত মজিবরের ছেলে স্বপন উদ্দিন (৩৭), মিজানুরের ছেলে সবুজ সেখ (৩৭) , আব্দুল গফুরের ছেলে জাফর আহমেদ (৩৪)। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে জীবননগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের আবু জাফর বিশ্বাসের (৪৮) যাদবপুর দক্ষিণ মাঠে কৃষি জমিতে সেচকাজের নলকূপের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে স্থাপিত তিনটি ট্রান্সফরমার খুলে ভেতরে থাকা তামার কয়েল এবং তেল অজ্ঞাতনামা চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী আবু জাফর বিশ্বাস জানান, এতে তার প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়াও একই দিন একই মাঠের অপর সেচ ব্যবসায়ী আনারুল ইসলামও তার একটি ট্রান্সফরমারের তামা ও তেল একইভাবে চুরি হওয়ার কথা জানান। এরই ধারাবাহিকতায় আবু জাফর বিশ্বাস বাদী হয়ে গত ৪ আগস্ট জীবননগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই সিরিজ চুরির ঘটনায় এসব এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। সঙ্ঘবদ্ধ এই চোর চক্রকে ধরতে মাঠে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের কয়েল, কপারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ এক প্রেস কনফারেন্সে চোর চক্রের ৬ সদস্যের গ্রেফতার এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান। এ সময় তিনি বলেন, গ্রেফতার চোর চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের সেচকাজে ব্যবহৃত ট্রান্সফরমার চুরি করে মূল্যবান তামা ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিক্রি করে আসছিল।