হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে স্ত্রীসহ অন্যান্য হজযাত্রীদের সঙ্গে হজ ক্যাম্পে আসেন বাচ্চু মিয়া। ক্যাম্পে নামার সময় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বেচ্ছাসেবকেরা তাকে মেডিকেল ক্যাম্পে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর খবর জানার পর তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে মরদেহ এবং অন্য একটি গাড়িতে তার মালামাল কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার লুনদিয়া গ্রামে পাঠানো হয়। পথে কিছু অংশ নৌপথেও মরদেহ পরিবহন করা হয়।
হজ অফিসের পরিচালক লোকমান হোসেন জানান, মরদেহ পরিবহনের সময় তার স্ত্রীসহ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা, হজ এজেন্সির প্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকেরা সঙ্গে ছিলেন।
সহযাত্রীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হজ ক্যাম্পে আসার পথেই বাচ্চু মিয়া অস্বস্তি বোধ করছিলেন।
তার মৃত্যুতে পরিবার, সহযাত্রী ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাশাপাশি সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহ দ্রুত বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।