এ নিয়ে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার ধোপাডাঙ্গায় বলাৎকারের বিচার ও অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসী ও আশার আলো বিদ্যাপীঠের পক্ষ থেকে গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
এলাকাবাসী জানায়, ধোপাডাঙ্গা আশার আলো বিদ্যাপীঠের প্রথম শ্রেণির ছাত্র (৭) কে গত ২১ জুলাই পাউরুটির দেয়ার কথা বলে দক্ষিণ রাজিবপুর গ্রামের মোনতাজ আলীর ছেলে মো. রাজ্জাক মিয়া তার বেকারির কারখানার ভেতর নিয়ে যায়। সেখানে উপর্যুপরি বলাৎকারের ফলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। একসময় আর্তচিৎকারে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক আত্মগোপন করেন। বলাৎকারের শিকার শিশুটি এখনও অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
এদিকে বলাৎকারের বিচার ও অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসী ও আশার আলো বিদ্যাপীঠের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার ধোপাডাঙ্গায় গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাস্তার দুপাশ বন্ধ করে দিয়ে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ধোপাডাঙ্গা আশার আলো বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, এলাকাবাসী জাভেদ আলী, জাহিদ হাসান জিল্লু, বলাৎকারের শিকার শিশুটির পিতা উজ্জল মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের প্রতি জোর দাবি জানান। পরে রাস্তায় এলাকাবাসীর একটি ঝাড়ু– মিছিল বের হয়। এই বলাৎকারে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।