শনিবার ( ৩০ মে) সকালের দিকে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহত সামিউল ইসলাম অভি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার অফিস সম্পাদক ছিলেন। হোসেনপুর ইউনিয়নের সাবেক ইসলামিক ছাত্র শিবিরের সভাপতি এবং পৌর শহরের সিধন গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।
এর আগে (২০ মে) বিকেলের দিকে উপজেলার ছোট শিমুলতলা পানহাটিতে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মে ছোট শিমুলতলা পানহাটির আধিপত্য বিস্তারে জেদ ধরে জামায়েত ও বিএনপি মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের ইটের প্রচন্ড আঘাতে বুকে চোট পেয়েছিলেন সামিউল ইসলাম ।
ঘটনার দিন পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন তিনি। গত ২৯ মে দুপুরের দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার ভর্তি করা হয় । সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় আরেক একটি বেসরকারি ক্লিনিকে। আজ ৩০ মে শনিবার সকালের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
পলাশবাড়ী উপজেলার ছোট শিমুলতলা পানহাটির ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। দুই পক্ষের মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন (ওসি তদন্ত) প্রদীপ। তিনি জানায়, মামলা হয়েছে আগেই। তবে মামলাটি কাউন্টার।
পলাশবাড়ী বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম মন্ডল জানায়, পানহাটি নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনায় পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সহকারী পুলিশ সুপার সি (সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী জানায়, কোন ঘটনায় মারা গেছে, সেটি জানা প্রয়োজন। তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি জানা যাবে ।