অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা পরের বছরের ঈদ নিজেদের দেশে উদযাপন করতে পারবে। তবে সরকারের মেয়াদ শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও এখনো রোহিঙ্গা শরণার্থীরা বাংলাদেশেই অবস্থান করছে। ফলে ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশের কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তথ্য জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হয়নি। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এর পাশাপাশি, কয়েকজন উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগও সংবাদমাধ্যমে এসেছে, যা প্রশাসনের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সাফল্য দেখাতে পারেননি বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না থাকায় সমালোচনার মুখে পড়েছে সংস্থাটি।
সার্বিকভাবে, প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার মধ্যে ফারাক, স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা—এই তিন বিষয়কে ঘিরেই অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে এখনো আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।