এমবাপ্পেকে থামিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন
খেলাধুলা ডেস্ক
|
২০২৬-০৭-১৫ ০৪:০০
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন চিশতী
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
স্পেনের সামনে ফ্রান্সের তারকাবহুল আক্রমণভাগও থমকে গেল। কৌশল, নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণশক্তির দারুণ সমন্বয়ে বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে লা রোজা।
ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে স্পেনের জয়ের নায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল ও পেদ্রো পোরো। প্রথমার্ধে ওয়ারজাবালের পেনাল্টি এবং দ্বিতীয়ার্ধে পোরোর দুর্দান্ত ফিনিশে জয় নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারই প্রথম শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিল স্পেন।
ফ্রান্স ম্যাচের শুরুতে আগ্রাসী ফুটবল খেলতে চেয়েছিল। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিজেদের নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ দিয়ে স্পেনের রক্ষণে চাপ তৈরির চেষ্টা করে তারা। কিন্তু ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্পেন। রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজের নেতৃত্বে মাঝমাঠে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে তারা।
স্পেনের প্রথম বড় সুযোগ আসে ফ্রি-কিক থেকে। তবে আলেক্স বায়েনার নেওয়া শট ফ্রান্সের রক্ষণ দেয়ালে আটকে যায়। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে এমবাপ্পে কয়েকবার বিপজ্জনক অবস্থানে গেলেও স্প্যানিশ ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় সুবিধা করতে পারেননি।
ম্যাচের ২২ মিনিটে এগিয়ে যায় স্পেন। বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করেন লুকাস দিনিয়ে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে কোনো ভুল করেননি মিকেল ওয়ারজাবাল। তার শক্তিশালী শটে পরাস্ত হন ফ্রান্স গোলরক্ষক মাইক মেইনিয়ান।
গোল হজমের পর ফ্রান্স আক্রমণে ফিরতে চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণ ছিল অটুট। বিশেষ করে মার্ক কুকুরেয়া ও গোলরক্ষক উনাই সিমন বারবার ফ্রান্সের আক্রমণ থামিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপ্পে গোলের সুযোগ পেলেও দ্রুত এগিয়ে এসে বল ক্লিয়ার করেন সিমন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য আক্রমণে ঝুঁকি নেয় ফ্রান্স। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় স্পেন। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে দুর্দান্ত দলীয় আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোল পায় তারা।
দানি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে ফ্রান্সের বক্সে ঢুকে পড়েন পেদ্রো পোরো। ঠান্ডা মাথায় মেইনিয়ানকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান এই স্প্যানিশ ফুলব্যাক। তার গোলে ফ্রান্সের ম্যাচে ফেরার পথ আরও কঠিন হয়ে যায়।
এরপর ফ্রান্স মরিয়া হয়ে আক্রমণ বাড়ালেও স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। এমবাপ্পে, রায়ান শেরকি ও দেজিরে দুয়ের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন উনাই সিমন। শেষ দিকে ফ্রান্স কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি।
এই জয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্বিতীয়বার উঠল স্পেন। এর আগে ২০১০ সালে প্রথমবার ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতেছিল তারা। এবার ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক/নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ীর মুখোমুখি হবে স্পেন।
অন্যদিকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হলো ফ্রান্সের। ২০২২ বিশ্বকাপের রানার্সআপরা এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার ছিল, কিন্তু স্পেনের নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে তাদের আক্রমণভাগ নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে।
ম্যাচ শেষে স্পেনের জয় শুধু ফাইনালের টিকিট নয়, আরও একটি ইতিহাসও এনে দিয়েছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে অপরাজিত থাকার ধারাবাহিকতা ৩৭ ম্যাচে নিয়ে গেছে তারা, যা ইতালির গড়া ইউরোপীয় দলগুলোর দীর্ঘতম অপরাজিত থাকার রেকর্ডের সমান।
স্পেনের সামনে ফ্রান্সের তারকাবহুল আক্রমণভাগও থমকে গেল। কৌশল, নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণশক্তির দারুণ সমন্বয়ে বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে লা রোজা।
ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে স্পেনের জয়ের নায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল ও পেদ্রো পোরো। প্রথমার্ধে ওয়ারজাবালের পেনাল্টি এবং দ্বিতীয়ার্ধে পোরোর দুর্দান্ত ফিনিশে জয় নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারই প্রথম শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিল স্পেন।
ফ্রান্স ম্যাচের শুরুতে আগ্রাসী ফুটবল খেলতে চেয়েছিল। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল অলিজেদের নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ দিয়ে স্পেনের রক্ষণে চাপ তৈরির চেষ্টা করে তারা। কিন্তু ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্পেন। রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজের নেতৃত্বে মাঝমাঠে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে তারা।
স্পেনের প্রথম বড় সুযোগ আসে ফ্রি-কিক থেকে। তবে আলেক্স বায়েনার নেওয়া শট ফ্রান্সের রক্ষণ দেয়ালে আটকে যায়। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে এমবাপ্পে কয়েকবার বিপজ্জনক অবস্থানে গেলেও স্প্যানিশ ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় সুবিধা করতে পারেননি।
ম্যাচের ২২ মিনিটে এগিয়ে যায় স্পেন। বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করেন লুকাস দিনিয়ে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে কোনো ভুল করেননি মিকেল ওয়ারজাবাল। তার শক্তিশালী শটে পরাস্ত হন ফ্রান্স গোলরক্ষক মাইক মেইনিয়ান।
গোল হজমের পর ফ্রান্স আক্রমণে ফিরতে চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণ ছিল অটুট। বিশেষ করে মার্ক কুকুরেয়া ও গোলরক্ষক উনাই সিমন বারবার ফ্রান্সের আক্রমণ থামিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপ্পে গোলের সুযোগ পেলেও দ্রুত এগিয়ে এসে বল ক্লিয়ার করেন সিমন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য আক্রমণে ঝুঁকি নেয় ফ্রান্স। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় স্পেন। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে দুর্দান্ত দলীয় আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোল পায় তারা।
দানি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে ফ্রান্সের বক্সে ঢুকে পড়েন পেদ্রো পোরো। ঠান্ডা মাথায় মেইনিয়ানকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান এই স্প্যানিশ ফুলব্যাক। তার গোলে ফ্রান্সের ম্যাচে ফেরার পথ আরও কঠিন হয়ে যায়।
এরপর ফ্রান্স মরিয়া হয়ে আক্রমণ বাড়ালেও স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। এমবাপ্পে, রায়ান শেরকি ও দেজিরে দুয়ের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন উনাই সিমন। শেষ দিকে ফ্রান্স কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি।
এই জয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্বিতীয়বার উঠল স্পেন। এর আগে ২০১০ সালে প্রথমবার ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতেছিল তারা। এবার ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক/নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ীর মুখোমুখি হবে স্পেন।
অন্যদিকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হলো ফ্রান্সের। ২০২২ বিশ্বকাপের রানার্সআপরা এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার ছিল, কিন্তু স্পেনের নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে তাদের আক্রমণভাগ নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে।
ম্যাচ শেষে স্পেনের জয় শুধু ফাইনালের টিকিট নয়, আরও একটি ইতিহাসও এনে দিয়েছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে অপরাজিত থাকার ধারাবাহিকতা ৩৭ ম্যাচে নিয়ে গেছে তারা, যা ইতালির গড়া ইউরোপীয় দলগুলোর দীর্ঘতম অপরাজিত থাকার রেকর্ডের সমান।