রাজধানী থেকে মাত্র কিছু দূরের বনাঞ্চল, নদী-আবদ্ধ রিসোর্ট, এবং পাহাড়ি এলাকার হোটেলগুলোতে ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবারসহ পর্যটকদের আগমন ব্যাপক। হোটেল-মোটেল মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদের আগে থেকেই অনলাইন ও অফলাইন বুকিং দিয়ে রাখায় এখন ফাঁকা কক্ষ নেই।
কক্সবাজার, সিলেটের পাহাড়ি এলাকা, চাঁদপুর-নৌপথের রিসোর্ট, সুন্দরবন ঘেরা বনাঞ্চল এবং রাঙ্গামাটিসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে কাটানোর জন্য ভ্রমণকারীরা আগেভাগে কক্ষ বুক করেছেন। বিশেষ করে সৈকত ও জলক্রীড়া কেন্দ্রগুলোতে ছোটখাটো ভ্রমণকারীদের উপস্থিতিও চোখে পড়ছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, এই ঈদে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে বেসরকারি উদ্যোগ ও সরকারের সমন্বয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি এবং স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়েছে। ঢাকার বিভিন্ন থিম পার্ক, জলখেলা ও খোলা মাঠে ছোট-বড় দর্শনার্থী মিলিত হয়ে আনন্দ উপভোগ করছেন। করোনার পর এ ধরনের ভিড় নতুন উদ্দীপনা যোগ করেছে পর্যটন শিল্পে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ঈদে দেশের পর্যটন শিল্পে গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সমৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাবে।