ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদের তারিখ নির্ধারিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন এক চিত্র দেখা যায়। দেশে চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক বৈঠক, ঘোষণা—সবই নিয়ম মেনেই হয়, কিন্তু অনেকের ধারণা, সিদ্ধান্ত যেন আগে থেকেই ‘অনুমানযোগ্য’!
সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেদিন ঈদ উদযাপিত হয়, বাংলাদেশে তার পরের দিন ঈদ হয়ে থাকে—এমন একটি প্রচলিত ধারণা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ফলে চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়ে যায় হিসাব-নিকাশ।
আজ যদি সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যায়, তাহলে সেখানে ২৯ রোজা শেষে কালই ঈদ। সে ক্ষেত্রে ‘অভিজ্ঞতা’ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ঈদ হবে পরদিন। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে সৌদিতে ঈদ শুক্রবার এবং বাংলাদেশে শনিবার—এই হিসাবও আগেভাগেই মিলিয়ে ফেলছেন অনেকেই।
এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে নানা রসিকতা। কেউ কেউ বলছেন, ‘চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক হয়, কিন্তু চাঁদ দেখা হয় কোথায়?’ আবার কেউ মন্তব্য করছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সিদ্ধান্তই আমাদের জন্য অগ্রিম প্রেস রিলিজ’!
যদিও সংশ্লিষ্টরা বরাবরই বলে আসছেন, বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার তথ্য যাচাই-বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপরও প্রতি বছর একই ধরনের পূর্বানুমান আর বাস্তব ফলাফলের মিল দেখে অনেকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে মৃদু ব্যঙ্গ ও কৌতুক।