নতুন এই প্রযুক্তিতে গ্রাহকরা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসে থাকা ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি অথবা পিন ব্যবহার করে সহজেই লেনদেনের অনুমোদন দিতে পারবেন। ফাস্ট আইডেন্টিটি অনলাইন (FIDO) মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ব্যবস্থা অনলাইন পেমেন্টকে আরও দ্রুত ও নিরাপদ করবে বলে জানিয়েছে ভিসা।
ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশে ই-কমার্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু অনলাইন লেনদেনের সময় পরিচয় যাচাইয়ের ধাপটি অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহকদের জন্য সময়সাপেক্ষ ও জটিল হয়ে ওঠে। ভিসা পেমেন্ট পাসকি সেই অভিজ্ঞতাকে সহজ করবে। এতে গ্রাহকরা দ্রুত ও নিরাপদভাবে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন, মাঝপথে লেনদেন বাতিল হওয়ার ঘটনাও কমে আসবে, পাশাপাশি সফল পেমেন্টের হারও বাড়বে।”
ভিসার তথ্য অনুযায়ী, ওটিপিভিত্তিক প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় পেমেন্ট পাসকি ব্যবহারে অনলাইন লেনদেন সম্পন্ন করতে কম ধাপ অতিক্রম করতে হবে। এর ফলে লেনদেন মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।
একবার নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই গ্রাহকরা অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন মার্চেন্ট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একই ধরনের অথেনটিকেশন সুবিধা পাবেন। প্রযুক্তিটি প্রধান অপারেটিং সিস্টেম ও ওয়েব ব্রাউজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বিশ্বজুড়ে ফাস্ট আইডেন্টিটি অনলাইন (FIDO) সমর্থিত বিলিয়ন সংখ্যক ডিভাইসে ব্যবহার করা যাবে।
ভিসা জানিয়েছে, বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপদ, সহজ এবং ব্যবহারবান্ধব পেমেন্ট প্রযুক্তি বাজারে আনতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে এমন উদ্ভাবনী সমাধান চালুর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলাই তাদের লক্ষ্য।