পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তার এই সমাজে থাকার সুযোগ হবে না। এ ব্যাপারে কোনো আপস নেই। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। দেশের স্বার্থে এবং দলের ভাবমূর্তির স্বার্থে অন্যায়ের সাথে তারেক রহমানের বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং থাকবেও না।
তিনি বলেন, যদি এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখা যায় এবং উন্নয়নের কাজ বুঝে নেওয়া যায়, তবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতার ব্যবস্থা করা এবং স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণ করা অনেক সহজ হবে। এছাড়া সড়কের দুই ধারে প্রায় সাড়ে চার হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয়দের সহযোগিতা চান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, এলজিইডি যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমানসহ সরকারি কর্মকর্তা, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।