শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে ছাগলনাইয়া আদালত মাঠসংলগ্ন শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা বিএনপির নেতা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার (টিপু), তাঁর গাড়িচালক আদনান এবং সমর্থক হুমায়ুন, সোহেল ও ইমন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেনী নদী থেকে বালু উত্তোলনের ব্যবসা নিয়ে ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আলমগীর সিদ্দিকী ও উপজেলা বিএনপির নেতা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার অভিযোগ করেন, বালু ব্যবসার লভ্যাংশ বাবদ আলমগীর সিদ্দিকীর কাছে তাঁর ১৪ থেকে ১৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ বিরোধের জেরে শুক্রবার রাতে জয়নাল ও ইসমাইল নামে দুই ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে তাঁকে আদালত মাঠ এলাকায় ডেকে নেন।
রিয়াজ উদ্দিনের দাবি, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর আলমগীর সিদ্দিকীর নেতৃত্বে কয়েকটি গাড়িতে আসা একদল ব্যক্তি চারদিক থেকে গুলিবর্ষণ ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে তাঁর পায়ে গুলির স্প্লিন্টার লাগে এবং মাথায় শটগান দিয়ে আঘাত করা হয়। তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে তাঁর গাড়িচালক ও অন্য সমর্থকেরাও আহত হন। পরে হামলাকারীরা শুভপুর সড়কের দিকে চলে যায় বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা আলমগীর সিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।