ব্যবসায়ী আব্দুস সত্তার মিয়া সিলেট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ছিলেন। তিনি রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন। এই দম্পত্তির চার সন্তারে মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান আমেরিকায় থাকেন।সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন।পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি।
নিহত দম্পত্তির ভাগনে মুন্না মিয়া জানান, রায়নগরে বাসায় মা-মামি একাই থাকতেন। তাদের সাথে এক কাজের মেয়ে থাকতো। সকাল ৯টার দিকেও তাদের সাথে আলাপ হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ৯টার পর তাদের হত্যা করা হয়েছে।
এদিকে, ট্রিপল মার্ডারের সময় ওই বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। বিদ্যুৎ না থাকায় সিসিটিভি ক্যামেরাটি বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের ধারণা, সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধের সুযোগেই হত্যাকান্ডটি ঘটানো হয়েছে।
নিহত চেম্বার পরিচালক দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাসায় সস্ত্রীক বসবাস করছিলেন। তাদের দেখাশোনা করতেন গৃহপরিচারিকা। তাদের চার সন্তান যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে থাকন।
ঘটনার সময় ওই বাসার সিসিটিভি বন্ধ থাকার তথ্য জানিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা সচল ছিল না।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আগেই কেউ বাসায় প্রবেশ করে থাকতে পারে। তবে পুরো এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ না করা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।