রোববার (২৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার আশোকোলা পূর্বপাড়া (বাঘোপাড়া) এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত সাইফুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত আবেদ আলী মন্ডলের ছেলে। তিনি নুনগোলা ইউনিয়নের দুইবারের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার)। জনপ্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি তিনি খামারি হিসেবেও এলাকায় পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাঘোপাড়া বাজার থেকে এক নাতিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন সাইফুল ইসলাম। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছানোর পর হঠাৎ তিন যুবক তার পথরোধ করে। তাদের সঙ্গে সাইফুলের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা রামদা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
হামলায় গুরুতর আহত সাইফুল ইসলামকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাশের একটি জমিতে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনাস্থল থেকে এক জোড়া জুতা ও একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
নিহতের মরদেহ শজিমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বাজার থেকে বাড়ি—মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। সেই পথটিই সাইফুল ইসলামের জীবনের শেষ পথ হয়ে দাঁড়াল। এখন প্রশ্ন—বাড়ির এত কাছে ওত পেতে থাকা ওই তিন যুবক কারা, কেনই বা সাবেক এই জনপ্রতিনিধিকে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করল? সেই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।