রেজাউল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মৃগমারী গ্রামের রহিম হুজুরের ছেলে। গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায় ইরাকের রাজধানী বাগদাদ শহরের আল মনসুর নামক এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে দায়িত্ব পালন করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ অপেক্ষা আর কষ্টের প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার সময় তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌছায়।
এর আগে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার দিনগত রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের মাটিতে মরদেহটি আসে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় মরদেহটি পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করেন বিমানবন্দর কতৃপক্ষ।
মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। শেষ বারের মত এক নজর দেখার জন্য প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনরা তার বাড়িতে ভিড় জমায়। পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে ৮ বছর আগে দেশ ছাড়েন রেজাউল ইসলাম। কষ্টের অর্জিত টাকা দিয়ে তৈরি করেছিলেন একটি বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িতে চলছিলো তার বিয়ের প্রস্তুতি। শীঘ্রই তার বাড়িতে ফিরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিলো। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিলো। কিন্তু একটি দূর্ঘটনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে গেলো।